Text size A A A
Color C C C C
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

বৃটিশ শাসন আমলে ১৭৮৬ সনে তৎকালীন আমলের সকল গণপূর্ত কার্যাবলী তত্ত্বাবধানের জন্য একটি সামরিক বোর্ড গঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৮৫৪ সনে সরকার গণপূর্ত বিভাগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। তৎকালীন সময়ে গণপূর্ত বিভাগ রাস্তা, গৃহ ও রেললাইন নির্মান এবং একই সাথে বন্যা নিয়ন্ত্রন, সেচ ব্যবস্থা এবং সামরিক কার্যাদি সম্পাদন করতো। ১৯৪৭ সনে ভারত ও পাকিস্তান বিভক্তির পর কেন্দ্রীয় পাকিস্তানের সকল নির্মান কার্যাদি সম্পাদনের ভার গণপূর্ত বিভাগের উপর ন্যাস্ত হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা ও পুর্ত নির্মান ( C & B) পূর্ব পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা পরিচালিত হয়। ১৯৭১ সনে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর সরকারী গৃহনির্মান ও যোগাযোগ ব্যবস্থা তত্ত্বাবধানের জন্য দুটি ভিন্ন বিভাগ চালু করে। কেন্দ্রীয় গণপূর্ত বিভাগ এবং সরকারী স্থাপনা নির্মান পরিচালনা পর্ষদ যা ১৯৭৭ সনে বিভাগে পরিনত এবং এটিই বর্তমানে গণপূর্ত বিভাগ হিসেবে পরিচিত ।। গণপূর্ত বিভাগ তাহার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে দেশের উন্নয়নে বিরাট অবদান রেখে চলছে। গণপূর্ত অধিদপ্তর বাংলাদেশের ২৪টি মন্ত্রনালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজসহ সেবা প্রদান করে আসছে। ইহা সরকারের একটি সর্বোচ্চ নির্মান সংস্থা। উক্ত সংস্থায় রয়েছে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রকৌশলী ও বিভিন্ন ক্যাটাগরীর জনবল।

টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগঃ-  টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের পুরাতন-নতুন বাস টার্মিনাল এর সংযোগ রাস্তার মাঝামাঝি এলাকার রাস্তার পূর্ব পার্শ্বে ( মেইন রোড সংলগ্ন) অবস্থিত । গণপূর্ত বিভাগের উত্তর পার্শ্বে সড়ক বিভাগ, টাঙ্গাইল, রাস্তার পশ্চিম পার্শ্বে প্রাইমারী ট্রেনিং স্কুল (পি.টি.আই) অবস্থিত। গণপূর্ত বিভাগ, টাঙ্গাইল এ তিনটি উপ-বিভাগ (১) টাঙ্গাইল গণপূর্ত উপ-বিভাগ, টাঙ্গাইল (২) গোপালপুর গণপূর্ত উপ-বিভাগ, টাঙ্গাইল (৩) ই/এম গণপূর্ত উপ-বিভাগ, টাঙ্গাইল । উক্ত তিনটি উপ-বিভাগ টাঙ্গাইল গণ পূর্ত বিভাগের নিয়ন্ত্রনাধীন । যাহার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী।

ছবি